এই জিনিস টা নিয়ে শুরু থেকেই আমার অনেক চিন্তাভাবনার সাথে জড়িত । আমার কেন জানিনা এই ধরাবাধা নিয়ম ভাল লাগে না , কল্পনাতে ভাবি আমি শিক্ষা মন্ত্রী হলে এটা উঠিয়ে দেব ।
সেই ধারাতে আমি ক্লাস ৮ থেকেই এই নিয়ে কিছু না কিছু করে যাচ্ছি কখনও বা সংবাদপত্রে প্রতিবেদন কখনও বা মানুষের সাথে বিতর্ক ।
আমার মতে শিক্ষা বাবস্থা এমন হওয়া উচিত যেখানে বাচ্চাদের জোর করে পড়ান হবে না । বাচ্চাদের স্বাধীন করতে হবে আর তাদের যেটা নিয়ে পড়তে ভাল লাগবে তারা সেটা পড়বে । মূলত লেখা পড়ার গণ্ডি থেকে তাদের বের করাই আমার উদ্দেশ্য । তবে ধীরে ধীরে কিছু জ্ঞান বুদ্ধি হল । মনে হল এই লেখাপড়া জিনিসটাই তুলে দেওয়া উচিত । ছেলেমেয়েদের আজাইরা লেখাপড়া বাদ দিয়ে যাতে তারা পারদর্শী সেটা নিয়েই তারা লেগে পড়ুক অনেকদিন এই ধারনাতে ছিলাম ।
কয়েকদিন ধরে ভাবতেছিলাম লেখাপড়া তুলে দিলে বা ছেলেমেয়েদের বাস্তব জীবনে মনোযোগ দিয়ে তাদের প্রতিভা খুঁজে বের করে যদি সেটা কাজে লাগানো হয় তাহলে কি হবে ??? তাহলেই কি সব সমাধান পাওয়া যাবে ? অবশ্য এটা বিশ্বাস করতাম কন সমস্যাই শতভাগ নির্মূল সম্ভব না ।
এসব ভেবে বাদ দিলাম শিক্ষার যা ইচ্ছা তাই হক , আমি আমার মত । আমার ভাল্লাগে না আমি করলাম না যাদের যা ভাল্লাগে তারা তাই করুক ।
তো লকডাউন এ ভালই সময় কাটতেছিল একদিন শুনলাম স্কুল শুরু হবে , আমার সবচেয়ে নিকটতম বন্ধু বলল আমি যাবনা , এখন স্কুল এ গেলে আমার লাইফ শেষ (সে আর আমি দীর্ঘদিন ধরে ওয়েব ডিজাইন নিয়ে নিজেদের আগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাতে আছি, আর আমাদের পথের মুল বাধা লেখাপড়া, মূলত সেই জন্যই আমার লেখাপড়ার সাথে এত শত্রুতা) । তো কথা মত এক দুই দিন গেলাম আর গেলাম না । সামনে পরীক্ষা, যা হয় দেখা যাবে ।
গত কয়েকদিন ধরে ভাবতেছি এই যে এই বয়সে(17) লেখাপড়া বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম তাও নিজে নিজে , কাজটা কি ঠিক করলাম ? ভাবনাতে পড়ে গেলাম । আমার বয়স অনেক কম তবুও কখনও কখনও বড়দের সাথে আলোচনাতে বলি বাচ্চাদের বেশি বুঝা উচিত না । আমি কেন এত বড় বড় কথা বলি ?
বাকিদের দেখলাম মনে হল যাদের জীবনে কন উদ্দেশ্য আছে লেখা পড়া তাদের জীবনে সমস্যা ।
অবশ্য আমি কথাটার সাথে সামান্য কিছুটা একমত । তবুও আপাতত আমার কাছে এই একটাই উত্তর আছে । হঠাৎ ভাবলাম আচ্ছা School এ Science এর ২ টা গ্রুপ আর্টস এবং কমার্স এর ২ টা । সবমিলে প্রায় ২০০ জনের মত ছাত্র আছে তাদের মধ্যে কয়জন আমাদের মত ভাবে ??? অনেক খুঁজেই আমাদের দুই জনের মত কাউকে পেলাম না । সবমিলে ভাবলাম আসলেই যাদের জীবনে উদ্দেশ্য আছে তাদের কাছে লেখাপড়া একটা বাধা । তো মনে হল এত জনের মধ্যে শুধু আমাদের জীবনেই একটা লক্ষ আছে আর কারোর নেই কেন ? আমরা তো বাকিদের মতই । আমরা তো আকাশ থেকে পড়া এলিয়েন না তাহলে এসব কেন ?
তো সেদিন বাড়িতে কারেন্ট নেই । তো গ্রামের শেষদিকে বড়ভাইরা থাকে ভাবলাম ওখানে যায় । ওখানে গিয়ে দেখলাম সেখানে যাদের খুজতেছিলাম তাদের কেউ নেই । তবে স্বল্প পরিচিত কয়েকজন বড়ভাই আছে । কি আর করার বসে আছি, চুপ করে । চুপ করা মানেই চিন্তা । আশপাশে দেখলাম অনেকে আছে বেশিরভাগ আমার বয়সী আবার ২০+ কিছু ভাই ও আছে সবাই ফ্রি ফায়ার খেলতেছে । তো আমার সেই কারণটার সাথে মিল পেয়ে গেলাম । [আমাদের জীবনেই একটা লক্ষ আছে আর কারোর নেই কেন ?]
খুব সাধারণ উত্তর আপনারাও জানেন সবাই বলেন ও বাচ্চারা এই গেম খেলে এতটা সময় নষ্ট করতেছে তাদের কিছু ভাবার ও সময় নেই তাহলে তারা কিছু কিভাবে করবে ।
ভাবলাম এখানে আমাকে আবারও আসতে হবে তাহলে আমার উত্তরটা ভাল ভাবে পেয়ে যাব । কয়েকদিন নিয়মিত গেলাম । তাদের মধ্যে সমস্যা ছিল তারা গেমএ আসক্ত । সমাধান কিছুটা হয়ে গেল । তবে ভাবলাম এই গেম টা আসে ২০১৭ সালে এর আগে তেমন কোন গেম কি ছিল ??? হ্যাঁ অবশ্যই ফেইসবুক । সব সমস্যা জেন সমাধান হয়ে গেল । তো ভাবলাম আমাদের ক্লাসএর কয়জন ফ্রি ফায়ার খেলে ??? দেখলাম মাত্র কয়েকজন । আমার সমাধান পেলাম না ।
তবে একটা কিছু পেলাম সেটা আমাদের দুই জনের মধ্যে নেই, বাকি প্রায় সবার মধ্যে আছে । প্রায় সবার না সবারই ।
প্রেম । হ্যাঁ এটাই, আর যারা প্রেম করেনা তারা শুধু সুযোগের অভাবে কিছু করেতেছে না । স্কুল এ প্রায় সবার একটা প্রধান উদ্দেশ্য এটা ।
সেই এলাকার ফ্রি ফায়ার প্লেয়ার গুল আর স্কুল এর বাকি সবার মধ্যেই এটা আছে । সাথে (আমি মেয়েদের নিয়ে কিছু বলব না) প্রতিটা ছেলেই লুইচ্চা । মসজিদের ইমামের ছেলে আমাকে তার গার্লফ্রেন্ড নিয়ে বলে তাহলে আর বাকিটা কি হবে ? শুনতে খারাপ লাগতেছে কিন্তু ভাবেন আপানর সামনে দিয়ে একটা সুন্দরী মেয়ে যাচ্ছে আর আপনি কি তার দিকে না তাকিয়ে থাকতে পারবেন ??? ভাবনে না বাস্তব জীবনে দেখেন । একবার ও কি কোন চিন্তা মাথায় আসে না ?? অবশ্য আমরা এখন লুইচ্চা বলতে নাসির এর তামিমা কে ভাগিয়ে নিয়ে যাওয়াকে বুঝি । অন্যদিকে আমরা নিজেরাও যে কম না সেটা দেখি না । আমরা লুইচ্চার সংজ্ঞাটা বদলে ফেলছি । সাথে পর্ণগ্রাফি তো আছেই (এটা নিয়ে নিচে আরেক্টু লিখব) । সত্য বলতে ভাল ছেলে খুঁজে পাওয়া অনেক কষ্টের । একটু আগে একটা পোস্ট দেখলাম একটা ভদ্র ছেলের ছবি দেওয়া কিন্তু কে নাকি ধর্ষণ এর চেষ্টা করছিল । এক বিশেষ শ্রেণিও আছেন তাদের নিয়ে বললে আবার নারীদের মনে আঘাত লাগে ।
এই প্রশ্নের উত্তরঃ
জীবনে যদি সবার মনে লুচ্চামি ভরা থাকে তাহলে উন্নত কিভাবে হবে ?
আমার আমেরিকার মত উন্নত জীবন লাগবে না যেখানে ধর্ষণের হার অন্তত বাংলাদেশের চেয়ে ১০ গুন বেশি ।
তার চেয়ে অনুন্নত লাগবে যেখানে মানুষ শান্তিতে থাকবে ।
আমার প্রশ্নের সঠিক উত্তর পেয়ে গেলাম এই বয়সে প্রেম আর লুচ্চামি করে গেলে তারা জীবন নিয়ে কি শিখবে আর সিদ্ধান্তই বা কিভাবে নেবে ।
কয়েকদিন ধরে দেখতেছি বসন্তী গুহ কে নিয়ে কয়েকটা লেখা হইছে । ভাবছিলাম হয়ত ১৮+ মিমি বা একটু লুচ্চামি ভরা একটা মঞ্চ আছে তার । তো আমি আর গুরুত্ব দেয়নাই ।
তো কালকে সেই মহান বাক্তির একটা উত্তর সামনে চলে আসল । আমই অবশ্য নাম না দেখেই উত্তর পড়ি । তো উত্তরটা জেন খুব অপছন্দ হল দেখলাম লেখক সেই মহান বেক্তি । তো মনে হল একটা ব্লক মেরে আসি ।
তারপর ভাবলাম মঞ্চটা তেও একটা রিপোর্ট মেরে আসি, ঢুকে প্রথম পোস্টটা দেখে আমি বুঝলাম আমি কই আছি । মানে ভাবছিলাম হাল্কা পাতলা এটা তো দেখি পর্ণসাইট । আবারও একটু দেখে আসলাম এটা Quora ই তো ??
ভাবলাম না এখানে আর থাকা যাবে না । দেখা গেলও পরিবারের কারর সামনে আছি তখন এসব সামনে আসল । একজন করেছে আরও কতজন করবে তার কোন ঠিক আছে ?
আমি নিকটবর্তী ও হতে চাই না ।
শেষে ২ টা কথা বলতে চাই,
উপরে বলছিলাম একটা বিশেষ শ্রেণির কথা যাদের নিয়ে বললে নারীরা রাগ করে । তারা হলেন নারীবাদী । ভাই বা আপু রাগ করবেন না, কিন্তু একটা সাধারণভাবে ভাবেন যারা নারীর অধিকার চায় তারা কিন্তু নিজেদেরকে গর্বিত নারীবাদী বলে না । তার শুধু অধিকার চায় । মূলত এই নারীবাদী তারাই যারা নারীকে ব্যবহার করতে চায় । যাদের দেখতে অনেক ভদ্র কিন্তু পিছনে Bla bla bla.... সত্যিকারে যারা নারীদের অধিকার চায় তারা নিজেদেরকে নারীবাদী বলবে না ।
আমাদের সবার জীবনেই একটা উদ্দেশ্য আছে সেটা জীবনে সফল হওয়া । আমিও সেটাই ভাবতাম । আমার জীবনের একজন প্রোগ্রামার হওয়ার স্বপ্ন ছিল, একজন সফল প্রোগ্রামার । একদিন মৃত্যুর কথা মনে আসল । ভাবলাম এত সফল হয়ে লাভ আছে ?? তারপর থেকে জীবনে নূতন একটা ধাপ শুরু করলাম আমার জীবনের প্রথম উদ্দেশ্য যাতে নিজের কাছে নিজেকে কখনও ছোট মনে না হয় । আজ চুক কাটতে গেছিলাম সেখানে নানা গল্পের মধ্যে একজন বলল বাড়িতে যখন নামাজ পড়তে বসি তখন যৌবনে যত অকর্ম করছিলাম সেগুলো মনে আসে । আমই শুধু সেটা চাচ্ছি না মানে, আমই ভুলে যাব তাই না , এমন কিছু জেন না থাকে যা আমার শেষ সময়গুলো নষ্ট করবে । আর তার চেয়ে বড় উদ্দেশ্য ধর্ম চর্চা না ধর্ম পালন করা ।
আর Quora যদি এভাবে অশ্লীলতা কে সাপোর্ট করে তাহলে আমার মনে হয় একজন মুমিনের উচিত সেটা থেকে সম্পূর্ণ দুরে থাকা । আমিও বাদ দিলাম ।
---
ভালো থাকবেন । আল্লাহ হাফেজ ।
একটা কথা বলছিলাম আমেরিকার কথা । ওই দেশ কে নিয়ে কিছু বললে তো আবার মানুষের মনে আঘাত লাগে ...
তাই Refference দিব ভাবলাম ।
না আমি দিলে এমনতা দিয়ে ফেলবানি যেখানে দেখাচ্ছে আমেরিকার প্রতি ৫ জনের মধ্যে একজন জীবনে একবার না হলেও একবার ধর্ষিত হয়েছেন ।
0 Comments